SHARE

শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রথম কোনও প্রধানমন্ত্রী যিনি ভারতের রাষ্ট্রপতি ভবনে আতিথেয়তা নিতে যাচ্ছেন। এ কথা বলে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা জানিয়েছেন, এই সফরে শেখ হাসিনা পাবেন অনন্য সম্মান।
তিনি বলেন, সম্মান একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। একে অপরের জন্য সম্মান দেখাবে এটাই বন্ধুত্বের সম্পর্কের অন্যতম দিক।

সোমবার (২৭ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার মিডিয়া ভবনের কনফারেন্স কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর আসন্ন ভারত সফর নিয়ে আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান এতে উপস্থিত রয়েছেন।

অংশ নিচ্ছেন বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম’র এডিটর ইন চিফ আলমগীর হোসেন, কালেরকণ্ঠের সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক ও নিউজ২৪ এর সিইও নঈম নিজামসহ সবক’টি সংবাদমাধ্যমের সংবাদকর্মীরা।
ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের আলোচনা সভা
ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি পলিটিক্যাল রজেশ উইকে ও অ্যাটাচে প্রেস রঞ্জন মন্ডলসহ অন্য কর্মকর্তারও রয়েছেন এ আলোচনা সভায়।

হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বলেন, সাধারণত কোনও রাষ্ট্র বা সরকার প্রধান ভারত সফরে গেলে হোটেলে অবস্থান করেন শেখ হাসিনাকে দেওয়া হচ্ছে বিরল সম্মান। তিনি থাকবেন রাষ্ট্রপতি ভবনে।

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক উন্নয়নে ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের সংবাদ মাধ্যমগুলোর ভূমিকার প্রশংসা করেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনার । তিনি বলেন, এই সম্পর্ক নিয়ে সঠিক ও আকর্ষণীয় খবর দিচ্ছে এই গ্রুপের সংবাদমাধ্যমগুলো।

1 COMMENT

  1. sorbosas kobor ata dst
    ফরিদপুর ম্যার্টস এর পক্ষ থেকে যে সারক লিপি লেখা হয়েছে…
    জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু
    মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
    আসসালামু আলাইকুম.
    আপনি বাংলার কোটি মানুষের অবিভাবক.
    আমরা বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া ডিপ্লোমা মেডিকেল স্টুডেন্ট ( ম্যার্টস শিক্ষার্থী ) ও ডিপ্লোমা চিকিৎসক.
    সর্ব কালের সর্ব শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান দেশের সর্ব সাধারনের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার লক্ষে ১৯৭৪ সালে ১ম পঞ্চবার্ষিকী সম্মেলনের মধ্য দিয়ে মেডিকেল এ্যাসিসটেন্ট ট্রেনিং কোর্স (ম্যার্টস) নামে একটি স্কীম প্রনয়ন করেন. আজ বঙ্গবন্ধু হাতে গড়া ম্যার্টস ধংসের তৃনমূলে এবং বাংলার ৮৫% মানুষের স্বাস্থ্য সেবা বাধ্যাগস্থ হচ্ছে.
    আজ আমরা ম্যার্টস ছাত্র – ছাত্রী ও ডিপ্লোমা চিকিৎসক আমাদের আধিকার থেকে বঞ্চিত.
    প্রিয় নেত্রী,
    ১/ সম্প্রতি আমাদের প্যারামেডিক্স হিসেবে উল্লেখ করা হয়েচ্ছে. অথচ প্যারামেডিক্স একটা ১৮ মাসের কোর্স. কিন্তু আমরা ৪ বছরের ডিপ্লোমাধারী ডিপ্লোমা কোর্সকে প্যারামেডিক্স হিসেবে উল্লেখ করে গেজেট প্রনয়ন করা আমাদের ধংসের বড় একটি ষড়যন্ত্র.
    ২/ আমাদের উচ্চ শিক্ষার কোনো সুযোগ নেই. অথচ যেখানে সব ডিপ্লোমাদের উচ্চ শিক্ষার সুযোগ আছে.
    ৩/ আমাদের নিয়োগ/কর্মসংস্থান নেই. কমিনিউটি ক্লিনিকেও আমাদের কোনো নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে না. কিন্তু আমাদের পদবী হচ্ছে “সাব এ্যাসিসটেন্ট কমিনিউটি মেডিকেল অফিসার”
    ৪/ আমাদের কর্মক্ষেত্রে পরিচয় ৩য় শ্রেনীর কর্মচারী. স্বাস্থ্য মন্ত্রী আমাদের বলেছিলেন ৩ মাসের মধ্যে ২য় শ্রেনী করবেন কিন্তু ৩ বছর হয়ে গেলো এখনো পদন্নোতি হয় নাই.
    ৫/ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানেও আমাদের চাকুরীর নীতিমালা নেই.
    ৬/ ইন্টার্নিশিপে কোনো ভাতা নেই.
    আমরা আজ নায্য অধিকার হতে বঞ্চিত.
    আমাদের BMDC রেজিস্ট্রেশন থাকা সত্ত্বে ও আমরা হয়রানির শিকার.
    আজ বঙ্গবন্ধু থাকলে হয়তো আমাদের এ হয়রানির শিকার হতে হতোনা.
    আমাদের অধিকার আমরা ঠিকই পেতাম
    দেশরত্ন আপনিতো আছেন কিন্তুু আপনার কাছে আমাদের দাবির কথাগুলো পৌঁছায় না
    যদি আপনার কাছে পৌঁছায় তাহলে আপনি অবশ্যই পিতার হাতে গড়া ডিপ্লোমা চিকিৎসকের ও ছাএদের দাবি মেনে নিতেন কিন্তুু আমাদের কথা আপনার কাছে আমরা পাঠাতে পারিনা কারন আজ আমাদের ধামাচাপা দিয়ে রাখতেছেন উর্ধ্বতনরা তাদের ক্ষমতার সামনে আমরা অসহায়
    আমাদের সবাই আশ্বাস দেয় কিন্তু কোন দাবিই আমাদের আদায় হয় না
    আপনার কাছে সমীপে প্রার্থনা এই যে
    আমাদের সংকটময় মুহূর্তে আপনি আমাদের পাশে থেকে ডিপ্লোমা চিকিৎসকদের অস্তিত্ব রক্ষা ও আমাদের নায্য অধিকার দানে আপনার যেন সু মর্জি হয়
    জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু
    বিনীত
    _____________

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here