SHARE

বাংলাদেশের শিল্পখাতের উন্নয়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য চীন বিপুল পরিমাণে বিনিয়োগে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত মা মিং কিয়াং।

তিনি বলেন, চীন বাংলাদেশে শিল্প-কারখানা স্থানান্তরের পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে এসব কারখানায় উৎপাদিত পণ্য আমদানি করবে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ শুল্কমুক্ত রফতানির সুযোগ পাবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।

শিল্প মন্ত্রণালয়ে বুধবার (২৫ মে) শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর সঙ্গে বৈঠককালে চীনা রাষ্ট্রদূত মা মিং কিয়াং এ আগ্রহের কথা জানান। এ সময় শিল্পসচিব মো. মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া এনডিসি, বিসিআইসি’র চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইকবালসহ শিল্প মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশে অবস্থিত চীনা দূতাবাসের কর্মকর্তারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে বাংলাদেশের শিল্পখাতে চীনা বিনিয়োগের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এসময় চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের বিদ্যুৎখাতে চীনের বিপুল পরিমাণে বিনিয়োগের বিষয়টি শিল্পমন্ত্রীকে অবহিত করেন।

চীনা রাষ্ট্রদূত বলেন, পাট শিল্পখাতে জামা, জ্যাকেট, মোজা, শাড়ি, টাই, জুতা, নির্মাণ সামগ্রীসহ বহুমুখী পণ্য উৎপাদনের সুযোগ রয়েছে। চীনের উদ্যোক্তারা এসব পণ্য উৎপাদনের লক্ষ্যে বাংলাদেশের পাটশিল্পখাতে বিনিয়োগ করতে চায়। এর পাশাপাশি কৃষি যন্ত্রপাতি, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ ও সার উৎপাদনেও চীন বিনিয়োগ করবে। বাংলাদেশে শিল্পখাতের ভিত্তি শক্তিশালী করতে চীন সব ধরনের সহায়তা দেবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

শিল্পমন্ত্রী বাংলাদেশের শিল্পখাতে চীনা বিনিয়োগ আগ্রহের জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, চীনা উদ্যোক্তারা পাটশিল্পের পাশাপাশি বাংলাদেশের চিনিকল ও নিউজপ্রিন্ট কাগজকলের আধুনিকায়নে বিনিয়োগ করতে পারে। এক্ষেত্রে সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী জমি বরাদ্দ দিতে প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি জানান।

আমির হোসেন আমু বলেন, চীনা উদ্যোক্তারা অর্থনৈতিক অঞ্চলে ভারি শিল্পখাতে বিনিয়োগের পাশাপাশি এর বাইরেও হালকা প্রকৌশল শিল্পখাতে বিনিয়োগ করতে পারে।

বাংলাদেশে গাড়ি উৎপাদন শিল্পে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের সাথে চীনের গাড়ি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে উদ্যোগ নিতে পারে বলে জানান শিল্পমন্ত্র।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here