SHARE
মডেল ফার্মেসি ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে ওষুধ
মডেল ফার্মেসি ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে ওষুধ

ভেজাল ওষুধ বিক্রি প্রতিরোধে ‘মডেল ফার্মেসি’ ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর। এই ফার্মেসীর ‘পাইলট’ প্রকল্পের জন্য ইতোমধ্যে একটি নীতিমালা তৈরি করা হয়েছে। সরকার-বেসরকারি অংশীদারিত্বে (পিপিপি) এসব ফার্মেসি চালু হবে। এই বছরের মধ্যেই অন্তত ১৫০টি ‘এ গ্রেড’ এবং ২০০০ ‘বি গ্রেড’ ফার্মেসি আনার চেষ্টা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তপক্ষ।

বুধবার রাজধানীর মহাখালীতে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল ডা. মো: মুস্তাফিজুর রহমান এ তথ্য জানান। সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের পরিচালক মো. ররুহুল আমিন উপস্থিত ছিলেন।

মেজর জেনারেল ডা. মো: মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, এসব দোকান ফার্মাসিস্ট নিয়োগসহ ওষুধ বিক্রির সব ধরনের মান বজায় রাখবে। তারা যে ওষুধ বিক্রি করছে সেই ওষুধ সম্পর্কে ক্রেতাদের সংক্ষিপ্ত ধারণাও দেবে। যদি সফল হই, আমরা এটাকে ধীরে ধীরে সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে দেব। এই ব্যবস্থা ভুয়া ও নকল ওষুধ বিক্রি ঠেকাবে বলে মনে করেন তিনি।

সম্প্রতি মানহীন ওষুধ বাজারজাত করায় উচ্চ আদালত থেকে দেশের ৩৪টি ওষুধ কোম্পানির উৎপাদন বন্ধের নির্দেশনা আসার পর এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর। নির্দেশনা অনুযায়ী এসব কোম্পানির ওষুধ উৎপাদন বন্ধ করা হয়েছে । সারাদেশে ১ লাখ ২০ হাজার ফার্মেসি ওষুধ প্রশাসনের নিবন্ধিত। এদের মধ্যে এ গ্রেড ফার্মেসিগুলোকে স্নাতক সম্পন্ন করা ফার্মাসিস্ট এবং বি গ্রেড ফার্মেসিগুলোকে ডিপ্লোমা ফার্মাসিস্ট নিয়োগ দিতে হবে বলে জানান মহাপরিচালক।

 

Comments

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here