SHARE
নির্মিত হচ্ছে ফিল্ম হাসপাতাল-জাদুঘর
নির্মিত হচ্ছে ফিল্ম হাসপাতাল-জাদুঘর

আগারগাঁও প্রশাসনিক এলাকায় নির্মিত হচ্ছে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ ভবন। সেখানে থাকবে বিশেষায়িত শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ফিল্ম ভল্ট, ফিল্ম হাসপাতাল, ফিল্ম ল্যাবরেটরি, ফিল্ম মিউজিয়াম, লাইব্রেরিসহ নানা কিছু। বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের ৩৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে এসবের ঘোষণা দেন তথ্যসচিব মরতুজা আহমদ।
গতকাল মঙ্গলবার সকালে পাবলিক লাইব্রেরি চত্বরে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের মহাপরিচালক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেনের সভাপতিত্বে লাইব্রেরির শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তনের আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্যসচিব মরতুজা আহমদ। বিশেষ অতিথি বাংলাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র মুখ ও মুখোশ-এর অভিনেত্রী পেয়ারী বেগম ও অভিনেতা ফারুক। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন সুরকার আজাদ রহমান ও অভিনেত্রী মিরানা জামান।
এ উপলক্ষে সকাল থেকেই পাবলিক লাইব্রেরি চত্বরে ছিল বাংলা চলচ্চিত্রের পোস্টার প্রদর্শনী। আলোচনা অনুষ্ঠানের পর মিলনায়তনে দেখানো হয় সূর্যস্নান ও নবাব সিরাজুদ্দৌলা ছবি দুটি। আলোচনার শুরুতেই সম্মাননা জানানো হয় অভিনেত্রী পেয়ারী বেগমকে। তিনি বলেন, ‘আমার সৌভাগ্য যে প্রথম বাংলা ছবিতে অভিনয়ের সুযোগ পেয়েছিলাম। মুখ ও মুখোশ-এ যখন অভিনয় করি, তখন ইডেন কলেজে ইন্টারমিডিয়েটের ফার্স্ট ইয়ারের ছাত্রী ছিলাম। বুঝিনি যে কীভাবে একটি সিনেমা হবে আর কীভাবে সেটা দেখানো হবে।’
অনুষ্ঠানে আলোচক ছিলেন চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিবেশক সমিতির আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি মুশফিকুর রহমান গুলজার, চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব মানজারে হাসীন মুরাদ। যৌথভাবে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর এই আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ ও তথ্য মন্ত্রণালয়। শওকত ওসমান স্মৃতি মিলনায়তনের বাইরে বেলুন উড়িয়ে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান উদ্বোধনের পর তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পাকিস্তান আমলে আমাদের সংস্কৃতিকে ধ্বংস করা হয়েছিল। বাংলাদেশ পুনর্গঠনের পর ধীরে ধীরে আমরা সংস্কৃতিকেও পুনর্গঠন করি। অতীতকে সংরক্ষণ মানে নিজস্বতাকে ও শিকড়কে সংরক্ষণ করা।’
তথ্যসচিব মরতুজা আহমদ বলেন, ‘আর্কাইভটিকে উন্নত সংরক্ষণাগার ও সংগ্রহশালা হিসেবে গড়ে তোলার মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি জাদুঘর ও গ্রন্থাগার স্থাপনের প্রচেষ্টা চলছে।’ মানজারে হাসিন মুরাদ আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে পুরোনো চলচ্চিত্র ও দেশের ইতিহাসের নানা গুরুত্বপূর্ণ সময়ের ফুটেজের ডিজিটাল সংস্করণ তৈরির আহ্বান জানান।

Comments

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here