SHARE

বিশ্বের অর্থনীতিকে নিয়ন্ত্রণ করা বেশ কয়েকটি দেশের মুদ্রার বিপরীতে বেশ শক্ত অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশের টাকা। মার্কিন ডলার, ব্রিটিশ পাউন্ড, ইউরো ও ইউএই দিরহামসহ আরও কয়েকটি মুদ্রার বিপরীতে টাকার মান পূর্বের চেয়ে বেড়েছে।

 

গত পাঁচ বছরে মার্কিন ডলারের বিপরীতেই টাকার মান প্রায় প্রায় পাঁচ টাকা বেড়েছে। দেশের রেমিট্যান্স আর রপ্তানী আয় বাড়ায় টাকার মানের এই উর্ধ্বগতি বলে জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা। তবে টাকার মান বাড়ার পেছনে চলমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দাও অনেকাংশে ভূমিকা রেখেছে।

 

সাম্প্রতিক সময়ে ব্রেক্সিটের কারণে পৃথিবীর অনেক দেশের মুদ্রা ডলারের বিপরীতে মান হারিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, ব্রিটিশ পাউন্ড, ইউরো, সিঙ্গাপুর ডলার, অস্ট্রেলিয়ান ডলার, মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত, সৌদি রিয়েল ও কুয়েতি দিনার। তবে অবিশ্বাস্যভাবে বাংলাদেশের টাকার মান আরও শক্তিশালী হয়েছে।

 

২০১২ সালে ৮৫ টাকার বিনিময়ে এক ডলার কিনতে হলেও বর্তমানে তা ৭৯ টাকা ৮৫ পয়সায় পাওয়া যাচ্ছে। আর ডলারের এই মান গত দুই বছর ধরেই স্থিতিশীল।

 

এর কারণ অনুসন্ধান করতে গিয়ে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বিভিন্ন খাতে বাংলাদেশের সাফল্য অন্যান্য দেশের মুদ্রার বিপরীতে টাকার মানকে ধরে রেখেছে। এর মধ্যে তৈরি পোশাকখাত, রপ্তানী বাণিজ্যে প্রবৃদ্ধি, বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও তেলের দাম স্থিতিশীল উল্লেখযোগ্য।

 

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের বাজারে ডলারের সঙ্কট ঠেকানোর জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক গত অর্থবছরে ২শ’ ১৬ কোটি ডলার কিনে রেখেছে।

Comments

comments

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here