জিপিএ-৫ পাওয়া অনিক ও হৃদয়কে প্রধানমন্ত্রী অভিনন্দন জানিয়েছেন

    1049
    0
    SHARE

    এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া ফেনী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের ছাত্র মিনহাজুল ইসলাম অনিক ও শাহরিয়ার হৃদয়কে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অভিনন্দন জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন বার্তা পেয়ে অনিক ও হৃদয় আবারো অভিভূত ও কৃতজ্ঞ।
    এর আগে ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি বিএনপি-জামায়াতের সহিংস জ্বালাও-পোড়াও আন্দোলনে বোমা হামলায় আহত এই দুই ছাত্র প্রধানমন্ত্রীর তদারকিতে চিকিৎসায় তারা সুস্থ হয়ে ওঠে এবং জীবন সংগ্রামে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা খুঁজে পায়।
    শেখ হাসিনার সহৃদয় চিকিৎসা সহায়তায় সুস্থ হয়ে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে অনিক ও হৃদয় জিপিএ-৫ লাভ করে। তাদের এই কৃতিত্বের সংবাদ শুনে আনন্দে আপ্লুত হয়ে অনিক ও হৃদয়কে অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন শেখ হাসিনা।
    এই শুভেচ্ছা বার্তা পেয়ে আবেগাপ্লুত কৃতি এই দুই শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবার প্রধানমন্ত্রীর প্রতি তাদের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এই সঙ্গে তারা মহান আল্লাহর দরবারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্থ ও সফল জীবন কামনা করেন।
    প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব আশরাফুল আলম খোকন আজ এ কথা জানান।
    অনিক ও হৃদয় হচ্ছে ফেনী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের ছাত্র।
    ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি দেশব্যাপী চলছিলো বিএনপি-জামায়াতের অবরোধ, সন্ত্রাস আর সহিংস আন্দোলন চলছিলো তাদের পেট্রোল বোমা ও অগ্নি-সস্ত্রাসের ত্রাস।। দেশ জুড়ে হাজার হাজার মানুষ তাদের পেট্রোল বোমায় হতাহতের শিকার হন।
    এ নির্মম আন্দোলনের নিষ্ঠুরতা থেকে রেহাই পায়নি এই দুই পরীক্ষার্থী। কোচিং থেকে বাসায় ফিরছিলেন। পথে তারা শিকার হন বিএনপি-জামায়াতের বোমা সন্ত্রাসের। চোখে মাথায় মারাত্মক আঘাত পান অনিক ও হৃদয়। পুরো পরিবার পড়ে এক অনিশ্চয়তার মধ্যে। একদিকে সামনে এসএসসি পরীক্ষা, অন্যদিকে চিকিৎসার ব্যয়ভার। এ সময় এই দুটি পরিবারের মধ্যে পথের দিশারী হয়ে আসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জামায়াত-বিএনপির সহিংসতার শিকার আরো হাজার হাজার অসহায় পরিবারের মতো তাদেরও চিকিৎসার ব্যয়ভার নেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
    প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে তাদের চিকিৎসার পুরো বিষয়টি তদারকি করেন তাঁর কার্যালয়ের পরিচালক ডা. জুলফিকার লেনিন। তিনি জানান, প্রথমে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, পরে চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট এবং এরপর মাদ্রাজের শঙ্কর নেত্রনালয়ে অনিক ও হৃদয়ের চিকিৎসা করানো হয়। চিকিৎসার জন্য তিনবার তাদের মাদ্রাজের শঙ্কর নেত্রালয়ে পাঠান। আহত থাকার কারণে ২০১৫ সালে আর তাদের এসএসসি পরীক্ষা দেয়া হয়নি। এবার তারা দু’জনই এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়ে জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হন। আজ সকালে হৃদয়, অনিক এবং তাদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন ডা. জুলফিকার লেনিন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর খুশি হওয়ার সংবাদ ও শুভেচ্ছা বার্তা তাদের কাছে পৌঁছে দেন। তারাও লেনিনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে তাদের কৃতজ্ঞতা ও আনন্দ এবং তাঁর সুস্বাস্থ্য ও সাফল্য কামনা করেন।

    Comments

    comments

    LEAVE A REPLY

    Please enter your comment!
    Please enter your name here